ওয়েবডেস্ক: গত কয়েক দিন ধরেই প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত নেপাল এবং বিহার।
বৃষ্টি এবং বন্যায় নেপালে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৪৩ জনের। ভয়াবহ এই
বন্যার প্রভাব ইতিমধ্যেই পড়তে শুরু করেছে বিহারে। এমনকি এ রাজ্যের মালদা
এবং মুর্শিদাবাদেও তার প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সপ্তাহখানেক ধরেই প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত নেপাল এবং বিহার। গত মাসের প্রবল তাপপ্রবাহের পর এই বৃষ্টি মানুষের মধ্যে স্বস্তির বার্তা নিয়ে এলেও, সেই স্বস্তি বেশি দিন স্থায়ী হল না। কারণ এই বৃষ্টির ফলে বিহারের দুঃখ হিসেবে পরিচিত কোশি নদী ফুলেফেঁপে উঠেছে।
নেপালে মৃতদের মধ্যে বেশির ভাগ মানুষই বিহার লাগোয়া জেলাগুলির বাসিন্দা। অর্থাৎ, ধস নয়, বন্যা পরিস্থিতির কারণেই তাঁদের মৃত্যু হয়েছে। এর জন্য বিহারের কিছু জেলাতেও চরম সতর্ক করা হয়েছে সাধারণ মানুষকে। প্রশাসনিক তৎপরতায় ইতিমধ্যেই সুপল, মুজফ্ফরপুর, পূর্ব চম্পারন, পশ্চিম চম্পারন, আরারিয়া এবং কিষানগঞ্জ জেলায় নদী অববাহিকা অঞ্চলে থাকা মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরানো হয়েছে।
কোশির পাশাপাশি জল বাড়ছে গঙ্গা, গন্ডক, বুধি এবং বাগমতী নদীতেও। গঙ্গার জল বেড়ে যাওয়াটাই চিন্তায় রাখছে এ রাজ্যের প্রশাসনকে। স্থানীয় সূত্রের খবর, বিহার-নেপাল থেকে প্রবল জল নেমে আসায় জলস্তর ইতিমধ্যে বাড়তে শুরু করেছে ফরাক্কা বাঁধে। বৃষ্টি না থামলে বাঁধের ওপরে চাপ বাড়বে, সে ক্ষেত্রে বেশি পরিমাণে জল ছাড়তে বাধ্য হতে পারে ফরাক্কা কর্তৃপক্ষ।
শুধু গঙ্গাই, উত্তরবঙ্গের প্রবল বৃষ্টির ফলে মহানন্দাতে জল সাংঘাতিক ভাবে বাড়ছে। তারও প্রভাব পড়তে পারে মালদায়। ফলে সব রকম পরিস্থিতির জন্য তৈরি রয়েছে প্রশাসন। তবে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির আকালের মধ্যে গঙ্গার জল বেড়ে যাওয়াটা যে কিছুটা খুশির খবর, তা তো বলাই বাহুল্য।
সপ্তাহখানেক ধরেই প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত নেপাল এবং বিহার। গত মাসের প্রবল তাপপ্রবাহের পর এই বৃষ্টি মানুষের মধ্যে স্বস্তির বার্তা নিয়ে এলেও, সেই স্বস্তি বেশি দিন স্থায়ী হল না। কারণ এই বৃষ্টির ফলে বিহারের দুঃখ হিসেবে পরিচিত কোশি নদী ফুলেফেঁপে উঠেছে।
নেপালে মৃতদের মধ্যে বেশির ভাগ মানুষই বিহার লাগোয়া জেলাগুলির বাসিন্দা। অর্থাৎ, ধস নয়, বন্যা পরিস্থিতির কারণেই তাঁদের মৃত্যু হয়েছে। এর জন্য বিহারের কিছু জেলাতেও চরম সতর্ক করা হয়েছে সাধারণ মানুষকে। প্রশাসনিক তৎপরতায় ইতিমধ্যেই সুপল, মুজফ্ফরপুর, পূর্ব চম্পারন, পশ্চিম চম্পারন, আরারিয়া এবং কিষানগঞ্জ জেলায় নদী অববাহিকা অঞ্চলে থাকা মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরানো হয়েছে।
কোশির পাশাপাশি জল বাড়ছে গঙ্গা, গন্ডক, বুধি এবং বাগমতী নদীতেও। গঙ্গার জল বেড়ে যাওয়াটাই চিন্তায় রাখছে এ রাজ্যের প্রশাসনকে। স্থানীয় সূত্রের খবর, বিহার-নেপাল থেকে প্রবল জল নেমে আসায় জলস্তর ইতিমধ্যে বাড়তে শুরু করেছে ফরাক্কা বাঁধে। বৃষ্টি না থামলে বাঁধের ওপরে চাপ বাড়বে, সে ক্ষেত্রে বেশি পরিমাণে জল ছাড়তে বাধ্য হতে পারে ফরাক্কা কর্তৃপক্ষ।
শুধু গঙ্গাই, উত্তরবঙ্গের প্রবল বৃষ্টির ফলে মহানন্দাতে জল সাংঘাতিক ভাবে বাড়ছে। তারও প্রভাব পড়তে পারে মালদায়। ফলে সব রকম পরিস্থিতির জন্য তৈরি রয়েছে প্রশাসন। তবে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির আকালের মধ্যে গঙ্গার জল বেড়ে যাওয়াটা যে কিছুটা খুশির খবর, তা তো বলাই বাহুল্য।
Share on Whatsapp