মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের রায় বাড়ির দুর্গাপুজো প্রায় সাড়ে তিনশ বছরের পুরনো।পুজো শুরু হয়েছিল ভিঙ্গল থেকে।

হরিশ্চন্দ্রপুরে:  মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের রায় বাড়ির দুর্গাপুজো প্রায় সাড়ে তিনশ বছরের পুরনো।এই রায়বাড়ির আদি পুজো শুরু হয়েছিল ভিঙ্গল থেকে।এই পুজো প্রতিষ্ঠা করেন জমিদার ভজোমোহন রায়। তার মৃত্যুর পর রায় বাড়ির পুজো ১৯২৮ সালে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন রাম প্রসন্ন রায়।যিনি রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন। বর্তমানে পরিবারের সদস্যরা দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছেন।পুজোতে তারা দেশ বিদেশের যেখানেই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকেন না পুজোর চারটে দিন সকলে ফিরে এসে বাড়িতে আনন্দ উত্‍সব মেতে উঠেন।এই রায় বাড়ির পুজো বৈষ্ণব মতে হয়। কোন বলিপ্রথা প্রচলন নেই এবং বসত বাড়ির পাশে পরিবারের একটি চণ্ডীমণ্ডপ রয়েছে, সেখানে নবমীর দিন পুজো অনুষ্ঠিত হয়।সেখানে পরিবার ও গ্রামের লোক মিলে অংশগ্রহণ করে |

Harishchandrapur,chanchal,malda
মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের রায় বাড়ির দুর্গাপুজো প্রায় সাড়ে তিনশ বছরের পুরনো

চাঁচল ব্লক কংগ্রেসের বিভিন্ন দাবিতে বিদ্যুৎ দপ্তরে স্মারকলিপি প্রদান।


এই বাড়ির পুজো আরেকটি বৈশিষ্ট্য দশমীর দিন ঘট বিসর্জনের পরে মা দুর্গার সামনে পরিবারের সদস্যরা গান-বাজনায় মেতে উঠেন | অতীতে এই পরিবারের বিশিষ্ট সন্তান চক্ষু চিকিত্‍সক স্বর্গীয় ডাক্তার পিনাকী রঞ্জন রায়, পুজোর চার দিন নিজে চণ্ডীপাঠ এ অংশগ্রহণ করতেন। তার কণ্ঠস্বর রেকর্ডিং করা চণ্ডীপাঠ আজও বাজানো হয় | এই বাড়ির ছেলে প্রখ্যাত গায়ক সৌমিত্র রায়।পুজোর সময় দেশ-বিদেশ ভূমি ব্যান্ড এর প্রোগ্রাম করতে যেতে হয়, তাই পুজোয় বাড়িতে থাকতে পারেন না |দশমীর দিন সন্ধ্যাবেলা পরিবারের সবাই শোভাযাত্রা সহকারে প্রতিমা বিসর্জন করে থাকে।রায় বাড়ির পুরোহিত সঞ্জীব ওজা জানালেন নিষ্ঠা সহকারে পুজো করা হয়, পুজোয় অনেক জনসমাগম ঘটে, তারপরে পুজোর গান, কীর্তন চন্ডী পাঠের আয়োজন করা হয় |

মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে ছেলেধরা সন্দেহে গণধোলাই পাঁচজন যাযাবর


Previous Post Next Post