ছেলেধরা সন্দেহ করে পাঁচজন যাযাবর কে গণধোলাই করে খুনের চেষ্টার অভিযোগ উঠল এলাকার বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। ক্ষিপ্ত গ্রামবাসীরা পুলিশের উপর চড়াও হয়। ভাঙচুর করা হয় পুলিশের একটি গাড়ি। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার তুলসিহাটা গ্রামে। পরে হরিশ্চন্দ্রপুর থানা থেকে বিশাল পুলিশ ফোর্স এলাকায় পৌঁছায়। এলাকার মানুষের রোষের কবল থেকে কোনওমতে উদ্ধার করে জখম পাঁচজনকে হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে চিকিত্সার জন্য তাদের পাঠানো হয় হরিশ্চন্দ্রপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। আহতদের মধ্যে একজন মহিলা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এক সপ্তাহ আগে ২০ থেকে ২৫ জন যাযাবরের একটি দল তুলসিহাটা গ্রামে ফাঁকা মাঠে তাঁবু খাটায়। তাবিজ-কবচ, কবিরাজি ওষুধ, গাছ গাছালি বিক্রি, এ সব করেই সাধারণত জীবিকা নির্বাহ করে এই সম্প্রদায়ের মানুষ। বৃহস্পতিবার সকালে ওই দলের চার জন পুরুষ এবং একজন মহিলা তুলসিহাটা গ্রামে তাবিজ-কবচ ফেরি করছিল। সেই সময় গ্রামের কিছু মানুষ তাদের ছেলেধরা সন্দেহ করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। এরপরেই ওই পাঁচজনকে খুঁটিতে বেঁধে শুরু হয় গণপিটুনি। খবর জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে যায় গোটা তুলসিহাটা গ্রাম জুড়ে। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ। কিন্তু পুলিশকেও ক্ষিপ্ত গ্রামবাসীদের হাতে নিগৃহীত হতে হয় বলে অভিযোগ। ভাঙচুর করা হয় পুলিশের একটি গাড়িও। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে বিশাল পুলিশ ফোর্স নিয়ে এলাকায় হাজির হন আইসি সঞ্জয়কুমার দাস। জনতার হাত থেকে বাঁচিয়ে কোনওমতে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁদের। গ্রামবাসীরা বলেন, 'ছোট ছোট শিশুদের প্রতি অদ্ভুত নজর ছিল ওই মানুষদের। তুকতাক করে বাচ্চা চুরি করে নিতে পারে এমন আতঙ্ক আগেই ছড়িয়েছিল গ্রামজুড়ে। তারই জেরে এ দিন ওদের আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। অসংলগ্ন কথাবার্তা বলছিল ওরা। তাই মারধর করা হয়।' তুলসিহাটার গ্রামপঞ্চায়েত প্রধান শকুন্তলা সিংহ বলেন, 'এই ধরনের গুজব যারা ছড়ানোর চেষ্টা করছে তাদের বিরুদ্ধে শক্ত হাতে ব্যবস্থা নিক পুলিশ। গ্রামের মানুষ যাতে বুঝতে পারেন তার জন্য পঞ্চায়েত থেকে নানা রকমভাবে সচেতনতামূলক প্রচার করা হচ্ছে।' পুলিশ জানিয়েছে, ঝাড়খণ্ড থেকে এসেছে ওই দলটি। বিভিন্ন রাজ্যে ঘুরে বেড়ায় তারা। তুলসীহাটা গ্রামের কেউ বা কারা হঠাত্ করে ছেলেধরার গুজব রটিয়ে বিশৃংখলার সৃষ্টি করতে চাইছিল। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি সঞ্জয়কুমার দাস বলেন, 'ছেলেধরার গুজব কারা ছড়ানোর চেষ্টা করছে তাদের অবশ্যই চিহ্নিত করা হবে। এই ধরনের গুজবে যাতে গ্রামবাসীরা কান না দেন সে ব্যাপারেও গ্রামে গ্রামে গিয়ে প্রচার করা হচ্ছে। তবে এ দিন যারা সরকারি কাজে বাধা দিয়েছে। পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করেছে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।' গণপিটুনির ঘটনায় জখম পাঁচজনের চিকিত্সা চলছে হাসপাতালে। তাদের সঙ্গেও কথা বলার চেষ্টা করছে পুলিশ।
ছেলেধরা সন্দেহ করে পাঁচজন যাযাবর কে গণধোলাই করে খুনের চেষ্টার অভিযোগ উঠল এলাকার বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। ক্ষিপ্ত গ্রামবাসীরা পুলিশের উপর চড়াও হয়। ভাঙচুর করা হয় পুলিশের একটি গাড়ি। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার তুলসিহাটা গ্রামে। পরে হরিশ্চন্দ্রপুর থানা থেকে বিশাল পুলিশ ফোর্স এলাকায় পৌঁছায়। এলাকার মানুষের রোষের কবল থেকে কোনওমতে উদ্ধার করে জখম পাঁচজনকে হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে চিকিত্সার জন্য তাদের পাঠানো হয় হরিশ্চন্দ্রপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। আহতদের মধ্যে একজন মহিলা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এক সপ্তাহ আগে ২০ থেকে ২৫ জন যাযাবরের একটি দল তুলসিহাটা গ্রামে ফাঁকা মাঠে তাঁবু খাটায়। তাবিজ-কবচ, কবিরাজি ওষুধ, গাছ গাছালি বিক্রি, এ সব করেই সাধারণত জীবিকা নির্বাহ করে এই সম্প্রদায়ের মানুষ। বৃহস্পতিবার সকালে ওই দলের চার জন পুরুষ এবং একজন মহিলা তুলসিহাটা গ্রামে তাবিজ-কবচ ফেরি করছিল। সেই সময় গ্রামের কিছু মানুষ তাদের ছেলেধরা সন্দেহ করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। এরপরেই ওই পাঁচজনকে খুঁটিতে বেঁধে শুরু হয় গণপিটুনি। খবর জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে যায় গোটা তুলসিহাটা গ্রাম জুড়ে। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ। কিন্তু পুলিশকেও ক্ষিপ্ত গ্রামবাসীদের হাতে নিগৃহীত হতে হয় বলে অভিযোগ। ভাঙচুর করা হয় পুলিশের একটি গাড়িও। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে বিশাল পুলিশ ফোর্স নিয়ে এলাকায় হাজির হন আইসি সঞ্জয়কুমার দাস। জনতার হাত থেকে বাঁচিয়ে কোনওমতে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁদের। গ্রামবাসীরা বলেন, 'ছোট ছোট শিশুদের প্রতি অদ্ভুত নজর ছিল ওই মানুষদের। তুকতাক করে বাচ্চা চুরি করে নিতে পারে এমন আতঙ্ক আগেই ছড়িয়েছিল গ্রামজুড়ে। তারই জেরে এ দিন ওদের আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। অসংলগ্ন কথাবার্তা বলছিল ওরা। তাই মারধর করা হয়।' তুলসিহাটার গ্রামপঞ্চায়েত প্রধান শকুন্তলা সিংহ বলেন, 'এই ধরনের গুজব যারা ছড়ানোর চেষ্টা করছে তাদের বিরুদ্ধে শক্ত হাতে ব্যবস্থা নিক পুলিশ। গ্রামের মানুষ যাতে বুঝতে পারেন তার জন্য পঞ্চায়েত থেকে নানা রকমভাবে সচেতনতামূলক প্রচার করা হচ্ছে।' পুলিশ জানিয়েছে, ঝাড়খণ্ড থেকে এসেছে ওই দলটি। বিভিন্ন রাজ্যে ঘুরে বেড়ায় তারা। তুলসীহাটা গ্রামের কেউ বা কারা হঠাত্ করে ছেলেধরার গুজব রটিয়ে বিশৃংখলার সৃষ্টি করতে চাইছিল। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি সঞ্জয়কুমার দাস বলেন, 'ছেলেধরার গুজব কারা ছড়ানোর চেষ্টা করছে তাদের অবশ্যই চিহ্নিত করা হবে। এই ধরনের গুজবে যাতে গ্রামবাসীরা কান না দেন সে ব্যাপারেও গ্রামে গ্রামে গিয়ে প্রচার করা হচ্ছে। তবে এ দিন যারা সরকারি কাজে বাধা দিয়েছে। পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করেছে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।' গণপিটুনির ঘটনায় জখম পাঁচজনের চিকিত্সা চলছে হাসপাতালে। তাদের সঙ্গেও কথা বলার চেষ্টা করছে পুলিশ।