![]() |
| চাঁচল |
মালদহের চাঁচল ১ নং ব্লকের সংলগ্ন এলাকায় ধানক্ষেত থেকে এক ব্যাক্তির ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করল এলাকার মানুষ। জানা গেছে ওই ব্যক্তি
চাচঁল থানার সেরবাউল গ্রামে ধান ক্ষেত থেকে ক্ষত বিক্ষত দেহ উদ্ধার। নাম কুদ্দুস আলী বয়স 50
অক্টোবর
সোমবার ধান ক্ষেত থেকে এক ব্যক্তির ক্ষত বিক্ষত দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য ছড়াল।ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের চাঁচল থানার ভগবানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের গৌরীপুর এলাকায়।
সোমবার ধান ক্ষেত থেকে এক ব্যক্তির ক্ষত বিক্ষত দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য ছড়াল।ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের চাঁচল থানার ভগবানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের গৌরীপুর এলাকায়।
পুলিশ জানায়, মৃতের নাম নাম কুদ্দুশ আলি(৪০) পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সেরবাবর গ্রামে কুদ্দুশের গৃহ। যদিও দেহটা বাড়ির ১ কিলোমিটার অদূরে গৌরীপুরে ধান ক্ষেত থেকে উদ্ধার হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সেরবাবর গ্রামে কুদ্দুশের গৃহ। যদিও দেহটা বাড়ির ১ কিলোমিটার অদূরে গৌরীপুরে ধান ক্ষেত থেকে উদ্ধার হয়েছে।
স্থানীয় মানুষের প্রাথমিক সন্দেহ নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে ওই ব্যক্তিকে। খুনের কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে চাঁচল থানার পুলিশ।
তার স্ত্রী আলফাতুন বিবি জানান, সারা রাত বাড়ি ছিল না সামী, সকালে শুনতে পায় ধান ক্ষেতে দেহ ক্ষত বিক্ষত অবস্থায় পরে রয়েছে।
দেহ উদ্ধারে শোকের ছায়া নেমে আসে পরিবার ও এলাকায়।
ভাই খাদেমুল হকের দাবী, রবিবার নিঝুম রাত্রে গ্রামের এক ছোটো ফাঁকা সেতুতে বসে দাদা দুজনের সঙ্গে কথোপকথন করছিল। অন্ধকার থাকায় তাদের আমি চিনতে পারিনি। অনুমান তারাই খুন করেছে, দোষীদের শাস্তি চাই।
তার স্ত্রী আলফাতুন বিবি জানান, সারা রাত বাড়ি ছিল না সামী, সকালে শুনতে পায় ধান ক্ষেতে দেহ ক্ষত বিক্ষত অবস্থায় পরে রয়েছে।
দেহ উদ্ধারে শোকের ছায়া নেমে আসে পরিবার ও এলাকায়।
ভাই খাদেমুল হকের দাবী, রবিবার নিঝুম রাত্রে গ্রামের এক ছোটো ফাঁকা সেতুতে বসে দাদা দুজনের সঙ্গে কথোপকথন করছিল। অন্ধকার থাকায় তাদের আমি চিনতে পারিনি। অনুমান তারাই খুন করেছে, দোষীদের শাস্তি চাই।
চাঁচাল থানার আইসি সুকুমার ঘোষ জানান, ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলায় কোপ মারা হয়েছে, ঠিক কী কারণে এই খুন তা তদন্ত করে দেখা হবে।
এদিন দেহটি উদ্ধার করে মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে চাঁচল থানার পুলিশ।
বিস্তারিত জানতে ও নতুন নতুন আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে যুক্ত-ক্লিক করুন
