কলেজ ছাত্রীর পচাগলা দেহ উদ্ধারের ঘটনায়।রহস্য দানা বেঁধেছে মালদার সামসি এলাকায়।পরিবারের লােকেদের অভিযােগ হবু স্বামী তাকে খুন করেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় মালদার রতুয়া।থানার সামসি কলেজ মােড় এলাকায় ধান খেত থেকে পচোলা দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।প্রতিবাদে ও দোষীর শাস্তির দাবিতে শনিবার রতুয়ার বাহারাল মােড়ে পথ অবরােধ করে বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয় বাসিন্দা ও মৃতের পরিবারের লােকেরা। পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে
ময়নাতদন্তের জন্য মালদা মেডিকেলের মর্গে পাঠায়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত কলেজ ছাত্রীর নাম রেজিনা খাতুন(২১)। বাবা আনিশুর রহমান বাড়ি রতুয়া থানার বাহারাল উত্তর সাহাপুর। গ্রামে। রেজিনা খাতুন সামসি কলেজ ছাত্রী। অভিযুক্তের নাম শেখ আজহারউদ্দিন
ওরফে বাপি।
[আরও পড়ুনঃমালদহ জেলার রতুয়া পাশাপাশি জমিকে কেন্দ্র করে বিবাদের জেরে গুলিবদ্ধ হলেন এক যুবক।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত প্রায় দুই বছর আগে বাহারাল খাটখােলা এলাকার বাসিন্দা শেখ আজহারউদ্দিন ওরফে বাপি সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয়। অভিযুক্ত সেনাবাহিনীতে চাকরি করে। চাকরি পাওয়ার সময় রেজিনা খাতুনের পরিবারের। কাছে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা নেয় পণ হিসাবে। কিন্তু চাকরি পর অন্য যুবতীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে বাপি শেখ। গত ১৫ দিন আগে বাড়ি আসে বাপি। অন্য যুবতীর সঙ্গে তাকে ধড়ে ফেলে পরিবারের লােকেরা। এই নিয়ে সালিশি হয়। গত ১৪ অক্টোবর অভিযুক্ত হবু স্বামী ফোন করে রেজিনা খাতুনকে ডাকে। তারপর থেকেই নিখোঁজ হয়ে যায়। পরিবারের লােকেরা থানায় একটি নিখোঁজ অভিযােগ দায়ের করে। শুক্রবার বিকেলে সামসি কলেজ মােড় এলাকায়। ধানের জমিতে একটি পচাগলা দেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। সামসি ফাঁড়ির পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। মৃতের পরিবারের লােকেরা দেহটি শনাক্ত করে। ঘটনায় দোষীর শাস্তির দাবিতে এদিন সকাল থেকে পথ অবরােধ করে বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয় ও পরিবারের সদস্যরা। এদিকে রতুয়া থানার পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে আটক করেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।