কাশ্মীরের কুলগাঁও-এর।
জঙ্গি হামলার ঘটনায় আতঙ্কিত মালদার
কালিয়াচক। বিশেষ করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে
কালিয়াচকের নয়াবস্তি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে।
এই গ্রামের সিংহভাগ বাসিন্দা কাশ্মীরে রয়েছেন
মজুরের কাজে। বাঙালিদের ওপর হামলার ঘটনায়
উৎকণ্ঠায় পরিবারের লােকেরা। বিশেষ করে
জঙ্গিরা যেভাবে ভিন রাজ্যের বাসিন্দাদের কাশ্মীর
থেকে পালানাের বার্তা দিয়ে চলেছে, তাতেও
নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সেখানে কাজ করতে
যাওয়া মালদার মজুরেরা। এমনটাই জানাচ্ছেন
বাইরে কাজে যাওয়া শ্রমিকদের পরিবারের
লােকজন। তারা জানালেন, আমরা চাই বাড়ির
ছেলেরা ফিরে আসুক, প্রতিপদে আতঙ্ক নিয়ে
কাশ্মীরে কাজ করার কোনও অর্থই হয় না।
কাশ্মীরে নিরাপত্তা দেওয়া কেন্দ্রের দায়িত্ব।
তারপরেও জঙ্গি আতঙ্ক থাকায় কেন্দ্রীয় নীতিকেই
দুষছেন কালিয়াচকের বাসিন্দারা। মালদা জেলা
থেকে অনেকেই শ্রমিকের কাজে রয়েছেন
কাশ্মীরের বিভিন্ন জায়গায়। এঁদের অধিকাংশই
কালিয়াচকের বাসিন্দা। কালিয়াচকের নওদা
যদুপুর, সালেপুর, দারিয়াপুর, নয়াবস্তি, আলিপুর
জঙ্গি হামলার ঘটনায় আতঙ্কিত মালদার
কালিয়াচক। বিশেষ করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে
কালিয়াচকের নয়াবস্তি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে।
এই গ্রামের সিংহভাগ বাসিন্দা কাশ্মীরে রয়েছেন
মজুরের কাজে। বাঙালিদের ওপর হামলার ঘটনায়
উৎকণ্ঠায় পরিবারের লােকেরা। বিশেষ করে
জঙ্গিরা যেভাবে ভিন রাজ্যের বাসিন্দাদের কাশ্মীর
থেকে পালানাের বার্তা দিয়ে চলেছে, তাতেও
নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সেখানে কাজ করতে
যাওয়া মালদার মজুরেরা। এমনটাই জানাচ্ছেন
বাইরে কাজে যাওয়া শ্রমিকদের পরিবারের
লােকজন। তারা জানালেন, আমরা চাই বাড়ির
ছেলেরা ফিরে আসুক, প্রতিপদে আতঙ্ক নিয়ে
কাশ্মীরে কাজ করার কোনও অর্থই হয় না।
কাশ্মীরে নিরাপত্তা দেওয়া কেন্দ্রের দায়িত্ব।
তারপরেও জঙ্গি আতঙ্ক থাকায় কেন্দ্রীয় নীতিকেই
দুষছেন কালিয়াচকের বাসিন্দারা। মালদা জেলা
থেকে অনেকেই শ্রমিকের কাজে রয়েছেন
কাশ্মীরের বিভিন্ন জায়গায়। এঁদের অধিকাংশই
কালিয়াচকের বাসিন্দা। কালিয়াচকের নওদা
যদুপুর, সালেপুর, দারিয়াপুর, নয়াবস্তি, আলিপুর
গ্রামের বাসিন্দারা কাশ্মীরে রয়েছেন। অধিকাংশ
নয়াবস্তির। কাশ্মীরের শ্রীনগর, লালচক,
পুলওয়ামা, কুলগাঁও, বটগাঁওয়ের মতাে এলাকায়
ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছেন তারা। কুয়াে তৈরির কাজ
করেন অনেকে। এছাড়াও কাঠমিস্ত্রি, রাজমিস্ত্রি,
মজুরের কাজেও যুক্ত রয়েছেন বাকিরা। ৩৭০ ধারা
বিলােপের পর এখানকার শ্রমিকদের অনেকেই
নিজেদের গ্রামে ফিরে আসেন। কেন্দ্র নিষেধাজ্ঞা
তুলে নিলে দিন কুড়ি আগে ফের সেখানে যান
তঁারা। নয়াবস্তি গ্রামে একই পরিবারের কামিরুদ্দিন
শেখ, জাহেদুর শেখ ও আলকামা শেখ কাশ্মীরের
বটগাঁও এলাকায় রয়েছেন। সম্পর্কে তারা দাদা-
ভাই। সকলেই কুয়াে তৈরির কাজ করছেন। ওই
শ্রমিকদের এক দাদা তারাবুদ্দিন শেখ বলেন,
'আমরা আতঙ্কে রয়েছি। ভাইদের সঙ্গে ফোনে কথা
হয়েছে। কিন্তু ফোনেও সব সময় পাওয়া যায় না
ওদের। বিএসএনএল পােস্ট পেইড সিম থাকলে,
তবেই ওদের পাওয়া যাচ্ছে। ওদের এলাকায়
এখনও কিছু হয়নি। কিন্তু জঙ্গি হামলা নিয়ে
আতঙ্কে রয়েছি। পরিবারের লােকেদের বােঝাচ্ছি।
কিন্তু এই আতঙ্ক নিয়ে আর কত দিন?' ওই গ্রামের
পঞ্চায়েত সদস্য ইয়াসিন আলি জানান, 'আমাদের
গ্রামের বেশির ভাগ পরিবার থেকে কেউ না কেউ
যান কাশ্মীরে শ্রমিকের কাজ করতে। দিন পিছু
অন্তত ৫০০ টাকা মজুরি পাওয়া যায়। সাধারণত
ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে অধিক শীতের কারণে
ফিরে আসেন সকলে। আবার জুলাই মাস নাগাদ
যান। বেশ ভালই চলছিল। কিন্তু বাঙালি হত্যার
ঘটনায় নতুন করে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি
হয়েছে। আমরা নিয়মিত খোঁজখবর রাখছি।'
